আদালতের রায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
আদালতের রায় লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

১০ জুন, ২০২৬

ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা

ব্যভিচারের মামলায় খালাস পেলেন নাসির-তামিমা


ছবি: বিডিএলপিবি 

অন্যের স্ত্রীকে প্রলুব্ধ করে নিয়ে যাওয়া, ব্যভিচার ও মানহানির মামলায় ক্রিকেটার নাসির হোসাইন ও তার স্ত্রী তামিমা সুলতানা তাম্মিকে খালাস দিয়েছেন আদালত।

বুধবার (১০ জুন) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলামের আদালত এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় তারা উভয়ই আদালতে হাজির ছিলেন। আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির পৃথক ধারার আনীত অভিযোগ সন্দেহাতীত প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের খালাস দিয়েছেন বলে রায়ে উল্লেখ করা হয়।

এর আগে গত ৬ মে উভয় পক্ষের যুক্তি উপস্থাপন শেষে রায়ের জন্য এদিন ধার্য করেন আদালত। ওইদিন শুনানিতে তাদের (নাসির-তামিমা) সর্বোচ্চ সাজা চেয়ে প্রার্থনা করেন বাদীপক্ষের আইনজীবী ইশরাত হাসান। তবে তাদের নির্দোষ দাবি করে খালাসের প্রার্থনা করেন আসামিপক্ষের আইনজীবী আজিজুর রহমান দুলু।

মামলার নথিপত্র অনুযায়ী, ১০ জন সাক্ষীর জবানবন্দি গ্রহণের পর গত ১৬ এপ্রিল এই মামলার সাক্ষ্য গ্রহণ পর্ব শেষ হয়েছিল। ক্রিকেটার নাসিরের এই আইনি লড়াই দীর্ঘ তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে চলেছিল।

২০২১ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি তামিমার সাবেক স্বামী রাকিব হাসান বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয় যে, ২০২১ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পেশায় কেবিন ক্রু তামিমা ও ক্রিকেটার নাসির হোসাইনের বিয়ের ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা রাকিবের নজরে আসে। রাকিবের দাবি ছিল, তাঁর সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক বলবৎ থাকাকালীনই তামিমা নাসিরকে বিয়ে করেছেন, যা প্রচলিত আইন ও ধর্মীয় রীতির পরিপন্থী।

মামলায় আরও অভিযোগ করা হয়, ক্রিকেটার নাসির হোসাইন তাম্মিকে প্রলুব্ধ করে নিজ আয়ত্তে নিয়ে গেছেন। এই অবৈধ সম্পর্কের ফলে রাকিব এবং তাঁর আট বছর বয়সী কন্যা মানসিকভাবে ভেঙে পড়ার পাশাপাশি সামাজিকভাবেও বড় ধরণের মানহানির শিকার হয়েছেন। সব ধরণের তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্য বিশ্লেষণ করে আদালত আজ তাঁদের নির্দোষ ঘোষণা করে মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

বিডিএলপিবি/এমএম

৯ জুন, ২০২৬

সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

সুপ্রিম কোর্টের জন্য পৃথক স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায় আপিল বিভাগে স্থগিত

ছবিঃ সংগৃহীত

 সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি সম্পূর্ণ পৃথক ও স্বাধীন বিচার বিভাগীয় সচিবালয় গঠন করার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্ট বিভাগ যে রায় দিয়েছিলেন, তা সাময়িকভাবে স্থগিত করেছেন সর্বোচ্চ আদালত আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে সুপ্রিম কোর্টের জন্য এই পৃথক স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের দায়ের করা আপিল শুনানির জন্য আগামী ১৬ জুন পরবর্তী দিন নির্ধারণ করেছেন আদালত।

প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন যে, এই আপিল মামলার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত হাইকোর্টের দেওয়া পূর্বের রায়টি সম্পূর্ণ স্থগিত থাকবে। মঙ্গলবার সকালে দেশের নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ এই আদেশ দেন। আদালতে আজ রাষ্ট্রপক্ষে গুরুত্বপূর্ণ আইনি শুনানি পরিচালনা করেন নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। অন্যদিকে রিটকারীদের পক্ষে আপিল বিভাগে আইনি লড়াইয়ে অংশ নেন সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ শিশির মনির।

এর আগে মঙ্গলবার সকালে তিন মাসের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের জন্য একটি পৃথক স্বাধীন সচিবালয় করার নির্দেশ দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া পূর্ণাঙ্গ রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিল আবেদনটির আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু হয়। গত ২১ মে হাইকোর্টের এই ঐতিহাসিক রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আপিল করেছিল রাষ্ট্রপক্ষ। তারও আগে, গত ৭ এপ্রিল দীর্ঘ ১৮৫ পৃষ্ঠার বিস্তারিত ও পূর্ণাঙ্গ হাইকোর্টের রায়টি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়।

মূলত গত বছরের ২ সেপ্টেম্বর বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি দেবাশীষ রায় চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট বেঞ্চ এই যুগান্তকারী রায়টি ঘোষণা করেছিলেন। রায়ে অধস্তন বা নিম্ন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ, যার মধ্যে তাদের কর্মস্থল নির্ধারণ, পদোন্নতিদান এবং ছুটি মঞ্জুরিসহ সব ধরনের শৃঙ্খলা বিধানের দায়িত্ব রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত থাকা সংক্রান্ত বাংলাদেশের সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদের বিশেষ বিধানটি অসাংবিধানিক ও অবৈধ ঘোষণা করে বাতিল করেছিলেন হাইকোর্ট।

হাইকোর্টের ওই রায়ের ফলে অধস্তন আদালতের দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের সামগ্রিক নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধানের পূর্ণাঙ্গ দায়িত্ব সুপ্রিম কোর্টের ওপর ন্যস্ত হয়েছিল। একইসঙ্গে অধস্তন আদালতের বিচারকদের জন্য বিগত ২০১৭ সালে প্রণয়ন করা জুডিসিয়াল সার্ভিস বা শৃঙ্খলাবিধিটি সম্পূর্ণ বাতিল ঘোষণা করা হয়েছিল। হাইকোর্টে মূল রিটকারীদের পক্ষে শুরু থেকেই মামলাটি পরিচালনা করেন আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির। আদালতকে আইনি সহায়তাদানের জন্য অ্যামিকাস কিউরি বা আদালতের বন্ধু হিসেবে নিযুক্ত ছিলেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট শরীফ ভূইঁয়া।

আর রাষ্ট্রপক্ষে তখন মামলাটি পরিচালনা করেছিলেন তৎকালীন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান। ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট সংবিধানের বিতর্কিত ১১৬ অনুচ্ছেদ এবং ২০১৭ সালের জুডিসিয়াল সার্ভিস শৃঙ্খলা বিধিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে এবং বিচার বিভাগীয় পৃথক ও স্বায়ত্তশাসিত সচিবালয় প্রতিষ্ঠার সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের সাতজন সচেতন আইনজীবী যৌথভাবে এই জনস্বার্থমূলক রিটটি দায়ের করেছিলেন। পরে একই বছরের ২৭ অক্টোবর হাইকোর্ট এই বিষয়ে বিস্তারিত রুল জারি করেন।

বাংলাদেশের বর্তমান সংবিধানের ১১৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, বিচার-কর্ম বিভাগে নিযুক্ত ব্যক্তিদের এবং বিচার বিভাগীয় দায়িত্ব পালনরত ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধানের চূড়ান্ত ক্ষমতা রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত। সুপ্রিম কোর্টের সঙ্গে পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি সাধারণত এই ক্ষমতা প্রয়োগ করে থাকেন। তবে রিটকারীদের আইনজীবীদের মূল যুক্তি হলো, এই অনুচ্ছেদের কারণে রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে কার্যত রাষ্ট্রের নির্বাহী বিভাগের বা আইন মন্ত্রণালয়ের সরাসরি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ দেখা যায়, যা বিচার বিভাগের স্বাধীনতাকে মারাত্মকভাবে খর্ব ও ব্যাহত করে। প্রসংগত উল্লেখ্য, দেশের আদি অর্থাৎ ১৯৭২ সালের মূল সংবিধানে অধস্তন আদালতের ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়ন্ত্রণ ও শৃঙ্খলা বিধানের এই মূল দায়িত্বটি সরাসরি সুপ্রিম কোর্টের ওপরই ন্যস্ত ছিল।

পরবর্তীতে ১৯৭৪ সালে সংবিধানের চতুর্থ সংশোধনীর মাধ্যমে এই ক্ষমতা সুপ্রিম কোর্ট থেকে কেড়ে নিয়ে রাষ্ট্রপতির ওপর ন্যস্ত করা হয়। এরপর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ পঞ্চম সংশোধনী আইনকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করলে, পঞ্চদশ সংশোধনী আইন ২০১১-এর মাধ্যমে ১১৬ অনুচ্ছেদের বর্তমান রূপটি প্রতিস্থাপন করা হয়।


বিডিএলপিবি/এমএম

৭ জুন, ২০২৬

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না খাতুনের মৃত্যুদণ্ড

ছবি: সংগৃহীত 

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া সোহেলকে ৫ লাখ টাকা ও স্ত্রী স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকার অর্থদন্ড দেন। আজ রবিবার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।  

রাজধানীর পল্লবীতে শিশু রামিসা আক্তারকে ধর্ষণ ও গলাকেটে হত্যার ঘটনায় আসামি সোহেল ও তার স্ত্রী স্বপ্নাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। এছাড়া সোহেলকে ৫ লাখ টাকা ও স্ত্রী স্বপ্নাকে ২ লাখ টাকার অর্থদন্ড দেন। আজ রবিবার (৭ জুন) ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন এ রায় ঘোষণা করেন।

এ মামলায় সোহেলের স্ত্রী স্বপ্নার সম্পৃক্তা সম্পর্কে পিপি দুলু আদালতে বলেন, সে (স্বপ্না) কিন্তু রামিসার এই অবস্থা দেখে বাইরে এসে চিৎকার করে জানাতে পারত। কিন্তু তিনি তা করেননি। শুধু সোহেলকে জানালা দিয়ে পালিয়ে যেতে সহায়তা করেছেন এমনটি না, পুরো ব্যাপারে স্বপ্না সেখানে অবস্থান করে সহায়তা করেছেন। তিনি যদি নিরপরাধ হতেন, তাহলে কাউকে জানাতেন।

পিপি তদন্ত কর্মকর্তার সেইদিনের সিসিফুটেজ না পাওয়ার ব্যাপারে আদালতে বলেন, সিসিফুটেজে না পাওয়ার কারণ হচ্ছে, পল্লবী এলাকা এত ডেভেলপ না। এজন্য সিসিফুটেজে পাওয়া যায়নি।

বেলা দেড়টা পর্যন্ত একটানা শুনানি করেন রাষ্ট্র পক্ষের পিপি আজিজুর রহমান দুলু। পরবর্তীতে ১টা ৩১ মিনিট থেকে আসামিপক্ষের রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী মূসা কালিমুল্লাহ যুক্তিতর্ক শুনানি শুরু করেন।

তিনি আদালতে বলেন, শুধু জবানবন্দির আলোকে চার্জশিট দিয়ে আসামিকে শাস্তি দেওয়া যায় না। একজন নেশাগ্রস্ত আসামি কি জবানবন্দি দিয়েছেন তা গ্রহণ করা যায় না। এটা বলে শুনানি শেষ করেন।

পরে পিপি দুলু আসামিপক্ষের আইনজীবী ও আদালতকে বলেন, ঘটনার সময় সোহেল নেশাগ্রস্ত ছিল সেটা কোথাও প্রমাণিত না। পরে আসামিপক্ষের আইনজীবীও বিষয়টি মেনে নিলে আদালত রায়ের দিন ধার্য করেন।

মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, ভুক্তভোগী রামিসা আক্তার পপুলার মডেল হাই স্কুলের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী ছিলেন। গত ১৯ মে সকাল সাড়ে ৯টার দিকে ঘর থেকে বের হলে আসামি স্বপ্না আক্তার তাকে কৌশলে তার ফ্ল্যাটের রুমের ভেতরে নিয়ে যায়। ওইদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রামিসাকে স্কুলে যাওয়ার জন্য খোঁজাখুঁজি করতে থাকলে একপর্যায়ে আসামির রুমের সামনে তার জুতা দেখতে পান। ডাকাডাকির পর কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে রামিসার বাবা-মা ও অন্যান্য ফ্ল্যাটের লোকজন দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে আসামির শয়নকক্ষের মেঝেতে রামিসা আক্তারের মস্তকবিহীন মরদেহ এবং মাথা রুমের ভেতরে একটি বড় বালতির মধ্যে দেখতে পান। আসামি স্বপ্না আক্তারকে সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় দেখতে পেয়ে তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, তার স্বামী আসামি মো. সোহেল রানা হীন কামনা চরিতার্থ করার জন্য রামিসাকে বাথরুমের ভেতরে আটকে রেখে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে গলা কেটে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা আব্দুল হান্নান মোল্লা দুইজনকে আসামি করে পল্লবী থানায় মামলা দায়েরের পর প্রথমে স্বপ্না আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে সোহেল রানাকে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা আদালতে দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দেন। একই দিন আসামি সোহেলের স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে কারাগারে পাঠানো হয়। অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় খরচে নিয়োজিত আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট মুসা কালিমুল্যাহ দাবি করেন, মামলায় ডিএনএ পরীক্ষার প্রতিবেদন নেই, আসামিকে ঘটনাস্থল থেকে গ্রেপ্তার করা হয়নি এবং সিসিটিভি ফুটেজও সংগ্রহ করা হয়নি। তাই অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়নি বলে তিনি আদালতের কাছে খালাস প্রার্থনা করেন। তবে বিকল্পভাবে সোহেল রানার জন্য যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং স্বপ্না আক্তারের বিরুদ্ধে লাশ গুমে সহযোগিতার অভিযোগে সর্বোচ্চ সাত বছরের সাজা চেয়েছেন তিনি।

মাত্র ১৭ দিনের মধ্যে তদন্ত, অভিযোগপত্র, অভিযোগ গঠন, সাক্ষ্যগ্রহণ, আত্মপক্ষ সমর্থন ও যুক্তিতর্কসহ পুরো বিচারিক কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে আলোচিত কোনো ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ক্ষেত্রে এত দ্রুত বিচারিক অগ্রগতি বিরল বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


বিডিএলপিবি/এমএম

৩ জুন, ২০২৬

হাইকোর্টে রিট খারিজ, বাধা নেই বিসিবি নির্বাচনে

হাইকোর্টে রিট খারিজ, বাধা নেই বিসিবি নির্বাচনে

ছবিঃ সংগৃহীত 

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্বাচনের তফসিল ও ভোটার তালিকার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করা রিট খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। এতে করে বিসিবি নির্বাচনে আর বাধা নেই।

২ জুন, ২০২৬

খিলক্ষেতে স্বদেশ প্রপার্টিজের বেইলি ব্রিজ নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা

খিলক্ষেতে স্বদেশ প্রপার্টিজের বেইলি ব্রিজ নির্মাণে হাইকোর্টের নিষেধাজ্ঞা


ছবিঃ সংগৃহীত

রাজধানীর খিলক্ষেতের বোয়ালিয়া খালে স্বদেশ প্রপার্টিজের বেইলি ব্রিজ নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন হাইকোর্ট। মঙ্গলবার (২ জুন) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। এছাড়া বোয়ালিয়া খালের সরকারি জমিতে সেতু নির্মাণে রাজউকের দেওয়া অনুমোদন কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না—তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন আদালত।

৩০ মে, ২০২৬

সাড়ে নয় বছর পরে খালাস পেলেন জঙ্গিবাদের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারকৃত সেই তিন ছাত্রী

সাড়ে নয় বছর পরে খালাস পেলেন জঙ্গিবাদের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় গ্রেফতারকৃত সেই তিন ছাত্রী

ছবি: সংগৃহীত 

প্রায় সাড়ে নয় বছর ধরে চলা আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলের তিন ছাত্রীর ক্ষেত্রে। জঙ্গিবাদের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত তাদের খালাস দিয়েছেন।

গত ২৪ মে জেলা ও দায়রা জজ আদালত পর্যাপ্ত প্রমাণের অভাবে এই তিন ছাত্রীকে অব্যাহতি প্রদান করেন। শনিবার (৩০ মে) মামলার আইনজীবী অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এই শিক্ষার্থীদের জঙ্গি তকমা দিয়ে রাষ্ট্র বা তদন্ত সংশ্লিষ্টরা কী অর্জন করেছে? তাদের কাছ থেকে কোনো অবৈধ বা নিষিদ্ধ বস্তু পাওয়া যায়নি, কেবল কোরআন, হাদিস এবং ডা. জাকির নায়েকের কিছু বই উদ্ধার করা হয়েছিল। অথচ জঙ্গি তকমার কারণে অভিযুক্তদের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হওয়া সত্ত্বেও চাকরির সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে আদালত তাদের খালাস দিয়েছেন।

পরিবার চাইলে রাষ্ট্রের কাছে ক্ষতিপূরণ দাবি করতে পারে জানিয়ে বদিউল আলম সুজন আরও বলেন, সেক্ষেত্রে আমরা আইনগত সহায়তা দিতে প্রস্তুত। একই সঙ্গে এ মামলার পেছনে কারা ভূমিকা রেখেছে, তা চিহ্নিত করে জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানাই।

মামলার নথি সূত্রে জানা যায়, ২০১৬ সালের ২৭ জুলাই রাতে কুমিল্লা শহরের নওয়াব ফয়জুন্নেছা হলে যৌথ অভিযান চালায় পুলিশ, র‌্যাব, সিআইডি ও বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা। অভিযানের সময় হলের ২০২ নম্বর কক্ষে অবস্থানরত তিন ছাত্রীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় এবং তাদের কক্ষ তল্লাশি চালানো হয়।

তল্লাশিকালে কক্ষ থেকে কয়েকটি ধর্মীয় ও ইসলামী বিষয়ক বই জব্দ করা হয়। জব্দকৃত বইয়ের মধ্যে ছিল ড. জাকির নায়েকের লেকচার সমগ্র, ‘আদর্শ পরিবার পরিবেশ’, ‘পরকালের প্রস্তুতি’ এবং ‘ইসলামী আন্দোলনের পথ ও পাথেয়’ শীর্ষক গ্রন্থ।

পরে রাতভর জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশির পর তিন ছাত্রীকে জঙ্গিবাদের অভিযোগে কোতোয়ালি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। তাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা দায়ের করে গ্রেপ্তার দেখানো হয় এবং আদালতের মাধ্যমে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।

ঘটনাটি সে সময় দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। জাতীয় ও স্থানীয় বিভিন্ন গণমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদ প্রকাশিত হয়। কিছুদিন কারাভোগের পর তারা উচ্চ আদালত থেকে জামিন লাভ করেন।

এরপর মামলাটি ম্যাজিস্ট্রেট আদালত, জেলা ও দায়রা জজ আদালত এবং উচ্চ আদালতসহ বিভিন্ন বিচারিক ধাপ অতিক্রম করে। দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়ার একপর্যায়ে আদালত অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত ও গ্রহণযোগ্য প্রমাণ না পাওয়ায় গত ২৪ মে তিন শিক্ষার্থীকে খালাসের আদেশ দেন।

রায়ের পর শিক্ষার্থীরা ও তাদের পরিবারের সদস্যরা সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, প্রায় এক দশক ধরে চলা একটি কঠিন অধ্যায়ের অবসান হয়েছে। তারা আদালতের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেন।

মামলার শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের পক্ষে আইনি সহায়তা প্রদান করেন অ্যাডভোকেট শহীদ উল্লাহ, অ্যাডভোকেট বদিউল আলম সুজন এবং অ্যাডভোকেট ইব্রাহিম মনির।


বিডিএলপিবি/এমএম

২০ মে, ২০২৬

প্রতারণার মামলায় এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশার দুই বছরের কারাদণ্ড

প্রতারণার মামলায় এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশার দুই বছরের কারাদণ্ড


ছবি: সংগৃহীত 

ফ্ল্যাট বিক্রি নিয়ে প্রতারণার অভিযোগে এক মামলায় সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের সাবেক স্ত্রী বিদিশা সিদ্দিককে দুই বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত।

বুধবার (২০ মে) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জামসেদ আলম এই রায় ঘোষণা করেন। বাদীপক্ষের আইনজীবী হেমায়েত উদ্দিন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বিদিশা পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।’
কারাদণ্ডের পাশাপাশি বিদিশা সিদ্দিককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে, অনাদায়ে আরও এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, বারিধারার প্রেসিডেন্ট পার্কের একটি ফ্ল্যাট বিক্রি করা নিয়ে প্রতারণার অভিযোগ এনে ২০০৮ সালে গুলশান থানায় এ মামলা করেন মোশাররফ হোসেন সিকদার নামের এব ব্যবসায়ী।

১৮ মে, ২০২৬

পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষার্থীর পায়ে গুলি, শিক্ষকের কারাদণ্ড

পরীক্ষা চলাকালে শিক্ষার্থীর পায়ে গুলি, শিক্ষকের কারাদণ্ড


ছবি: সংগৃহীত 

সিরাজগঞ্জ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করায় এবং অবৈধভাবে বিদেশি পিস্তল, গুলি ও ম্যাগাজিন নিজ হেফাজতে রাখার অপরাধে একই কলেজের কমিউনিটি মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. রায়হান শরীফকে অস্ত্র আইনের দুটি ধারায় মোট ২১ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ সোমবার (১৮ মে) দুপুরে সিরাজগঞ্জের বিশেষ ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক এবং জেলা ও দায়রা জজ মো. ইকবাল হোসেন জনাকীর্ণ আদালতে এই রায় ঘোষণা করেন। আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট রফিক সরকার রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত বলেন, ‘দণ্ডপ্রাপ্ত রায়হান শরীফ একজন উচ্চ শিক্ষিত ব্যক্তি এবং মেডিকেল কলেজের প্রভাষক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কিন্তু তিনি পেশাগত পবিত্র দায়িত্বের বাইরে গিয়ে সম্পূর্ণ বেআইনিভাবে দুটি বিদেশি পিস্তল, বিপুল পরিমাণ গুলি, ম্যাগাজিন, বিদেশি ছোরা ও চাকু নিজের হেফাজতে রেখেছিলেন। শুধু তাই নয়, তিনি নিয়মিত এগুলো কর্মস্থলে বহন করতেন এবং এর ধারাবাহিকতায় নিরীহ ছাত্র আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করেন।’
আদালত আরও বলেন, ‘রায়হান শরীফ ছাত্রজীবন থেকেই সশস্ত্র ক্যাডার রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন এবং সরকারি চাকরিতে যোগ দেওয়ার পরও সেই ধারা অব্যাহত রাখেন। ফলে তিনি সমাজ, বাবা-মা কিংবা সহকর্মীদের ওপর চড়াও হতে বা হত্যা করতে দ্বিধাবোধ করতেন না।’

আইনি আদেশে আদালত রায়হান শরীফকে ১৮৭৮ সালের অস্ত্র আইনের ১৯(এ) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ১৪ বছর এবং ১৯(এফ) ধারায় আরও ৭ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করেন।

প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৪ মার্চ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজের একাডেমি ভবনের চতুর্থতলায় ক্লাস চলাকালীন ডা. রায়হান শরীফ তুচ্ছ ঘটনায় শিক্ষার্থী আরাফাত আমিন তমালের পায়ে গুলি করে গুরুতর আহত করেন। এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ডা. রায়হান শরীফকে আটক করে এবং তার কাছ থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, ৮১ রাউন্ড গুলি, ৪টি ম্যাগাজিন ও দুটি অত্যাধুনিক ছোরা উদ্ধার করে। এ ঘটনায় সিরাজগঞ্জ সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. ওয়াদুদ আলী বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে মামলা দায়ের করেন। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া ও সাক্ষ্য-প্রমাণ শেষে আজ আদালত এই রায় প্রদান করেন।


বিডিএলপিবি/এমএম

সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা প্রশ্নে রুল

সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিতে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা প্রশ্নে রুল


ছবিঃ সংগৃহীত

সব নাগরিকের জন্য সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণে সরকারের নিষ্ক্রিয়তা ও ব্যর্থতা কেন বেআইনি ও আইনগত কর্তৃত্ববিহীন ঘোষণা করা হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (১৮ মে) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার নিশাত মাহমুদ। রুলে সরকারকে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশ প্রদান করা হবে না এবং কেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে ১ মাসের মধ্যে একটি স্বাধীন কমিটি গঠন করার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তাও জানতে চাওয়া হয়েছে। আইনজীবী জানান, এই কমিটি সার্বজনীন স্বাস্থ্য সুরক্ষা বাস্তবায়ন তদারকি, পর্যবেক্ষণ ও দিকনির্দেশনা প্রদান করবে এবং ৩ (তিন) মাসের মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করবে। স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে বলা হয়েছে।


বিডিএলপিবি/এমএম

বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে সুদ সামঞ্জস্যে গ্রামীণ ব্যাংককে রুল

বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে সুদ সামঞ্জস্যে গ্রামীণ ব্যাংককে রুল


ছবিঃ সংগৃহীত 

গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে  কেন সামঞ্জস্য করা হবে না,তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন  হাইকোর্ট। সোমবার (১৮ মে) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রুল জারি করেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার মাসুদ আর সোবহান, ব্যারিস্টার ফাতেমা চৌধুরী।

রুলে গ্রামীণ বাংলাদেশের ভূমিহীন ঋণগ্রহীতাদের জন্য প্রবর্তিত মাইক্রোক্রেডিট কর্মসূচির আওতায় গ্রামীণ ব্যাংক যে সুদের হার আরোপ করে, যা নির্ধারিত ব্যাংকসমূহের সুদের হারের তুলনায় অত্যন্ত বেশি ও শোষণমূলক—সে সুদের হার কমানোর জন্য ব্যাংকিং কোম্পানি/আর্থিক প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষকে কেন নির্দেশ প্রদান করা হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়েছে।

এর আগে গ্রামীণ ব্যাংকের ক্ষুদ্রঋণের সুদের হার বাণিজ্যিক ব্যাংকের সঙ্গে কেন সামঞ্জস্য করতে হাইকোর্টে জনস্বার্থে রিট করেন ব্যারিস্টার মাসুদ আর সোবহান।

 

বিডিএলপিবি/এমএম


১৭ মে, ২০২৬

ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকমের বাড়তি সুবিধা কেন বাতিল নয়, রুল জারি

ড. ইউনূসের গ্রামীণ টেলিকমের বাড়তি সুবিধা কেন বাতিল নয়, রুল জারি

ছবিঃ সংগৃহীত
বিদেশি মোবাইল কোম্পানিকে অতিরিক্ত সুবিধা দিয়ে ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের মালিকাধীন গ্রামীণ টেলিকমের বাড়তি সুবিধা রেখে করা টেলি কমিউনিকেশন নেটওয়ার্কিং এবং লাইসেন্স পলিসি কেন বাতিল করা হবে না জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এ আইনে দেশের মোবাইল কোম্পানির স্বার্থ ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। 
আপিল বিভাগেও আইভীর জামিন বহাল, কারামুক্তিতে নেই আইনি বাধা

আপিল বিভাগেও আইভীর জামিন বহাল, কারামুক্তিতে নেই আইনি বাধা

ছবি: সংগৃহীত 

এর আগে সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওই দুই মামলায় গত ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট রুল জারি করে আইভীকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এই জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক আবেদন করলে তা আজ চেম্বার আদালতের কার্যতালিকায় শুনানির জন্য ওঠে।

১৫ মে, ২০২৬

বোনকে বিয়ে না দেওয়ায় ভাইকে হ-ত্যা, সেই চাঞ্চল্যকর মা-মলায় দুজনের মৃ-ত্যুদণ্ড

বোনকে বিয়ে না দেওয়ায় ভাইকে হ-ত্যা, সেই চাঞ্চল্যকর মা-মলায় দুজনের মৃ-ত্যুদণ্ড


ছবি: সংগৃহীত 

চট্টগ্রামে বোনকে বিয়ে দিতে রাজি না হওয়ায় ইছু মিয়া নামের এক যুবককে হত্যার দীর্ঘ ২৩ বছর পর মামলার রায় দিয়েছেন আদালত। আলোচিত এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দুই আসামিকে মৃত্যুদণ্ড এবং তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

১৪ মে, ২০২৬

খুলনা তেরখাদায় আলোচিত জমজ শিশু হত্যা মামলায় মায়ের যাবজ্জীবন

খুলনা তেরখাদায় আলোচিত জমজ শিশু হত্যা মামলায় মায়ের যাবজ্জীবন


ছবি: সংগৃহীত 

খুলনায় জমজ শিশু হত্যার আলোচিত ঘটনায় মা কানিজ ফাতেমা কণাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ৬ মাসের সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) খুলনার বিভাগীয় দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মঞ্জুরুল ইমাম এ রায় ঘোষণা করেন।

১৩ মে, ২০২৬

জাল রেমিট্যান্স রিসিটে ১৩.৪৫ লাখ আত্মসাৎ, সাবেক ব্যাংকারের জেল

জাল রেমিট্যান্স রিসিটে ১৩.৪৫ লাখ আত্মসাৎ, সাবেক ব্যাংকারের জেল


ছবিঃ সংগৃহীত

জাল রেমিট্যান্স রেফারেন্স নম্বর ও ভুয়া কম্পিউটার জেনারেটেড রিসিট তৈরি করে ১৩ লাখ ৪৫ হাজার ১৬৫ টাকা আত্মসাতের মামলায় অগ্রণী ব্যাংকের এক সাবেক কর্মকর্তাকে আট বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট

একবার এফআইআর হয়ে গেলে সেটি আর প্রত্যাহার করা যায় না: হাইকোর্ট


ছবিঃ সংগৃহীত

ছাত্রলীগে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাবি) রাহিদ খান পাভেলকে মারধরের ঘটনায় এফআইআর প্রত্যাহার কেন অবৈধ নয়, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

ঈদে নারীদের জন্য ট্রেনে আলাদা কামরা রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

ঈদে নারীদের জন্য ট্রেনে আলাদা কামরা রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত 

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে যাত্রীবাহী প্রতিটি ট্রেনে নারী যাত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট একটি কামরা বরাদ্দ রাখতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার (১২ মে) এক সম্পূরক আবেদনের শুনানি শেষে বিচারপতি ফাহমিদা কাদের ও বিচারপতি আসিফ হাসান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. আজমল হোসেন খোকন।

আইনজীবীর তথ্যমতে, ১৮৯০ সালের রেলওয়ে আইন-এর ৬৪ ধারা অনুযায়ী প্রতিটি ট্রেনে নারীদের জন্য নির্দিষ্ট কামরা থাকার বিধান রয়েছে। এছাড়া ৫০ মাইলের বেশি পথ চলাচলকারী ট্রেনের ওই কামরার সঙ্গে একটি শৌচাগার সংযুক্ত থাকার কথাও আইনে বলা হয়েছে।

তিনি জানান, আইনের এসব বিধান বাস্তবায়ন না হওয়ায় ২০২১ সালে আইনজীবী মমতাজ পারভীন রিট আবেদন করেন। পরে গত ১০ মার্চ হাইকোর্ট রুল জারি করে এ বিষয়ে কারণ জানতে চান।

বিচারাধীন ওই রুলে সম্পূরক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার এ নির্দেশ দেওয়া হয়। আইনজীবী আজমল হোসেন খোকন বলেন, আইনে আলাদা কামরার বিধান থাকলেও তা বাস্তবে কার্যকর হয়নি। ঈদযাত্রায় নারীদের ভোগান্তি কমাতেই আদালতে এ আবেদন করা হয়েছিল।

১২ মে, ২০২৬

আরও দুই মামলায় খায়রুল হকের জামিন, বাধা নেই মুক্তিতে

আরও দুই মামলায় খায়রুল হকের জামিন, বাধা নেই মুক্তিতে


ছবি: সংগৃহীত 

জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী ও মিরপুর থানায় দায়ের করা দুটি হত্যা মামলায় সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হককে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। 

মঙ্গলবার (১২ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সরওয়ার কাজল ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। এর ফলে তার কারামুক্তিতে আর কোনো আইনি বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আদালতে খায়রুল হকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরীসহ আরও কয়েকজন অভিজ্ঞ আইনজীবী। 

এর আগে গত ২৮ এপ্রিল যুবদলকর্মী হত্যা, রায় জালিয়াতি এবং দুদকের করা মোট পাঁচটি মামলায় আপিল বিভাগ তার জামিন বহাল রেখেছিলেন। রাষ্ট্রপক্ষ ওই জামিন আদেশের বিরুদ্ধে আবেদন করলেও প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ তা খারিজ করে দেন।

গত বছরের ২৪ জুলাই ধানমন্ডির বাসভবন থেকে গ্রেপ্তার হওয়া সাবেক এই প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে একাধিক মামলা দায়ের করা হয়। এগুলোর মধ্যে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থার রায় জালিয়াতি এবং প্লট বরাদ্দে দুর্নীতির মতো গুরুতর অভিযোগও রয়েছে। নিম্ন আদালতে এসব মামলায় জামিন না পেয়ে তিনি উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

এ বি এম খায়রুল হক ২০১০ সালে দেশের ১৯তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং ২০১১ সালে অবসরে যান। পরবর্তী সময়ে তিনি তিন মেয়াদে আইন কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে কাজ করেন। আজকের জামিন আদেশের ফলে দীর্ঘ দিন কারাগারে থাকার পর তার মুক্তি পাওয়ার পথ সুগম হলো।

১১ মে, ২০২৬

জামায়াতের নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়া আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ  রাজনৈতিক

জামায়াতের নিবন্ধন ফিরিয়ে দেওয়া আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ রাজনৈতিক

ছবি: সংগৃহীত 

দল হিসেবে জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন ফিরিয়ে দিতে ২০২৫ সালের ১ জুন দেওয়া রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশ করেছেন আপিল বিভাগ। সোমবার (১১ মে) তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন চার বিচারপতির সাক্ষরের পর পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়েছে।

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্টের রায়

গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে তা প্রকাশ করা যাবে না: হাইকোর্টের রায়


ছবি: সংগৃহীত 

ভ্রূণের লিঙ্গ নির্ধারণ ও তা প্রকাশের অনৈতিক চর্চা বন্ধে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। এখন থেকে গর্ভের সন্তান ছেলে না মেয়ে, তা আর প্রকাশ করা যাবে না বলে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন।